
নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জাতীয় হৃদরোগ হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্স স্ট্যান্ড দখল নিতে ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের বহিষ্কৃত নেতা জাহিদ হোসেন মোড়লের নেতৃত্বে হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শেরেবাংলা নগর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন থানা কৃষক দলের আহ্বায়ক আব্দুল আলিম।রোববার (২৪ আগস্ট) দিবাগত রাতে শেরেবাংলা নগর থানায় এ সাধারণ ডায়েরি করা হয়।শেরেবাংলা নগর থানা কৃষক দলের আহ্বায়ক আব্দুল আলিম বলেন, হৃদরোগ হাসপাতালে দালাল চক্র ও অ্যাম্বুলেন্স চালকরা একটা সিন্ডিকেট করেছে। তারা বাইরের কোনো অ্যাম্বুলেন্সকে হাসপাতাল থেকে রোগী নিতে দেয় না। সেই সিন্ডিকেট আমরা ভাঙার চেষ্টা করি। শনিবার (২৩ আগস্ট) রাতে হৃদরোগ হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্স স্ট্যান্ড দখল নিতে জাহিদ মোড়লের নেতৃত্বে অর্ধশতাধিক লোক হাসপাতালে আসে। আমি রাত ৯টার দিকে হাসপাতালে যাই। পরে আমার কাছে রিপন নামের একজনকে পাঠায়। সে আমাকে বলে যে জাহিদ মোড়ল আপনাকে ডাকছে। পরে আমি এলে জাহিদ মোড়ল আমাকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল ও চড় থাপ্পড় করে মারতে থাকে। তখন সে আমাকে বলে, আমি জাহিদ মোড়ল। বহিষ্কার হয়েছি তাতে কি হয়েছে? আমি কিন্তু জাহিদ মোড়ল, একেবারে জানে মেরে ফেলব।

জাহিদ মোড়লের নেতৃত্বে হৃদরোগ হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্স স্ট্যান্ড দখল নিতে চায় শ্রমিক দলের বহিষ্কৃত নেতা হাসান। যার কারণে সে স্ট্যান্ড দখল নেওয়ার জন্য এখানে অর্ধশতাধিক লোক নিয়ে আসে।তিনি আরও বলেন, আশপাশে অনেক লোকজন ছিল কিন্তু কেউ এগিয়ে আসেনি। আমি কৃষক দলের আহ্বায়ক অথচ সে আমার গায়ে হাত তুলল। তার সঙ্গে যারা ছিল তাদের মধ্যে কয়েকজনকে আমি চিনতে পেরেছি। এদের মধ্যে মোহাম্মদপুরের জেনেভা ক্যাম্পের রহমত হোসেন জয়, আরমান, শেরেবাংলা থানা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রিপন, আদাবরের নূর মোহাম্মদ রিয়াদ, রুবেলসহ অজ্ঞাত আরও ৪০ থেকে ৫০ জন ছিল। রাতে আমি এ ঘটনায় শেরেবাংলা নগর থানা একটি সাধারণ ডায়েরি করি। আজ থানায় আমি আরও একটি অভিযোগ দায়ের করব।
এদিকে জাহিদ মোড়লের অন্যতম সহযোগী শ্রমিক দলের বহিষ্কৃত নেতা হাসান জানান, ওইখানে আমার অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবসা আছে। মহসিন, রাকিব, জাহিদ– এরা আমার লাইনম্যান ও চালকসহ চারজনকে মেরে গুরুতর আহত করেছে। তারা হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে। এ ঘটনায় আমরা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছি।