
ছাতক উপজেলা প্রতিনিধিঃ
ছাতকের শ্যামলী এলাকায় নিটল মোটর লিঃ এর একটি নির্মাণ কাজের টেন্ডার পান ১নং সাক্ষীর চাচাতো বোন। উক্ত কাজের দায়িত্ব ১নং সাক্ষীকে প্রদান করা হয় এবং তিনি তার কেয়ারটেকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। অভিযোগ অনুসারে, ১নং সাক্ষী ও তার সংস্থার বিরুদ্ধে স্থানীয় একদল যুবক—যাদের মধ্যে ছাত্রলীগের পোষ্টধারী নেতা ও পলাতক ডেবিল হান্ট মামলার আসামি ইফতি ইসলাম, ও সোহেল আহমেদ রয়েছেন।—নির্মাণ কাজে বাধা দিয়ে তারা বড় অংকের চাঁদা দাবী করেছেন।
বিবাদীদের মধ্যে আছেন: ইফতি ইসলাম (২৮), সোহেল আহমদ (৩০), রশিদ মিয়া (৫৮), জনি (২৫), পারভেজ (৩১), জসীম (৩৫), করিম (২৭), ছাবুল (৪২), জামিল (২৬), রনি (২৭) আরও অজ্ঞাত রয়েছে বিএনপি’র নামধারী দুষ্কৃতিকারী সহ ৮-১০ জন। তারা সবাই বাঁশখলা, ছাতক পৌরসভা এলাকার বাসিন্দা। বিবাদীদের বিরুদ্ধে ছাতক থানায় বিভিন্ন মামলা-মোকদ্দমা রয়েছে।
০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫ সকাল ১০ টার সময় নিটল মোটর লিঃ এর শ্যামলী এলাকায় ঘটনার সূত্রপাত। অভিযোগ অনুযায়ী, বিবাদীগণ নির্মাণ কাজ বন্ধের জন্য বাধা দান ও ধারালো অস্ত্র তাক করিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছেন। তারা বলেন, “আমাদের চাঁদা না দিলে কাজ শুরু করলে তোকে খুন করে লাশ গুম করব।” এই হুমকির কারণে অভিযোগকারী নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
এলাকার এক ব্যক্তি আব্দুল বাকী মুহিত, যিনি নিটল মোটর লিঃ এর কাজ পরিচালনা করছেন, ইতিমধ্যেই ছাতক থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
অভিযোগকারী মোঃ আলা উদ্দিন পরে পুলিশ সুপারের কাছে বিষয়টি অবগত করেছেন এবং দ্রুত সুষ্ঠু বিচারের দাবি তুলেছেন।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষীরা (আব্দুল বাকী মুহিত, জলিল, খালেদ, মিলন ও জালাল) ঘটনার প্রমাণ দিতে প্রস্তুত রয়েছেন।
অভিযোগকারী ও স্থানীয়রা আশা করছেন, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্রুত বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত করে বিচারের মাধ্যমে এলাকায় শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।
তবে চাঁদা দাবির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন রশিদ মিয়া। তিনি বলেন, কোম্পানির বাউন্ডারির ৪০০ ফুট কাজ তারা পেয়েছে। এর মধ্যে গ্রামের অনেকের দখলকৃত খাস জমি ও বৃক্ষরোপণ থাকায় গ্রামবাসী বাধা দিয়েছে। একই কাজের আরেক অংশে ১৪০০ ফুট বাউন্ডারির কাজ ইফতি পেয়েছে, যা এখনো চলমান। আমরা চারজন মিলে এ কাজের পার্টনার। মূলত কাজ নিয়েই বিরোধ সৃষ্টি হয়েছে।”
তিনি আরও জানান, এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছেও লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।