
সিলেট বিভাগীয় ব্যুরো প্রধান।
ফ্যসিস আওয়ামী লীগ ও অংগ সংগঠনে সকল নেতা কর্মী দের বিরুদ্ধে সারা বাংলাদেশে অভিযান অব্যহত এবং স্বরাষ্ট উপদেষ্টা মহোদয় কিছু দিন আগে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী কে এক কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন। যে ফ্যসিস আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের যেখানে দেখা যাবে সাথে সাথে ব্যবস্থা নিতে ডেভিল হান্ট পেজ২ চলমান।
ফ্যসিস আওয়ামী লীগের দীর্ঘ মেয়াদ ক্ষমতায় থাকায় ওয়ার্ড পর্যায়ে নেতাকর্মী থেকে শুরু করে একেবারে শীর্ষ নেতারা পর্যন্ত দুর্নীতিতে জড়িয়েছে।
শুধু পদ দারী নেতারা অপকর্ম করেছে আর কর্মীরা অপকর্ম করেনাই বিষয়টা এমন না।
পদদারী নেতার সংখ্যা কত? শুধু যদি পদদারী নেতারা দুর্নীতি করতো তাহলে তো এত দুর্নীতি হত না। প্রত্যেকটা নেতা কর্মী মিলেই দুর্নীতির মহা উৎসবে মেতে উঠেছিল বলেই এত দুর্নীতি করতে পেরেছে তারা।
আর এখন সবাই ভাবে দুর্নীতি শুধু পদদারী নেতারা করেছে। কর্মীরা করে নাই। কর্মীরা সব থেকে বেশি অপরাধ অপকর্ম করেছে। কিছু নেতারা জানতো আর কিছু জানতো না।
ফ্যসিস আওয়ামী লীগ ও অংগ সংগঠনের নেতারা কর্মীদের দিয়েই বেশি দুর্নীতি করিয়েছে। বর্তমানে আওয়ামী লীগ ও অংগ সংগঠনের পদদারী অনেক নেতা কর্মীরা পলাতক, কিছু বিভিন্ন মামলায় কারাগারে আর ছাএ লীগ ও যুবলীগের বিশ্বস্ত একটি গ্রুপ এখনো মাঠে বেশ তৎপর রয়েছে।
এরা এখন বিভিন্ন দলে ঢুকার চেষ্টা করছে।
আর আওয়ামী ফ্যসিসদের সুযোগ সুবিধা করে দেওয়ার ও মামলা হামলা থেকে বাঁচাতে কোন একটি পক্ষ চেষ্টা করছেন, মনে হয় তা না হলে চিহ্নিত ফ্যসিসের ধূসর মহানগর যুবলীগের সভাপতি আলম খান মুওির গ্রুপ করতো সিলেট সিটি করর্পোরেশন ১২নং ওয়ার্ড শেখ ঘাটের মেহদী হাসান রনি এখন ও কি করে ধরা ছোয়ার বাইরে রইলো?
দাপটের সাথে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে সিলেট শহরে এই ফ্যসিসের এত ক্ষমতার জোর কোথায়? যে ফ্যসিস আওয়ামীলীগের সময় ও যা ইচ্ছে তাই করেছে আর এখন কোন একটা দলে ঢুকার ধান্দা ফিকির করছে।
জুলাই আগস্ট ২০২৪ এ ছাএ জনতার বিপক্ষে রাস্তায় যুব লীগের সাথে অবস্থান করেছিল এবং জামাত বিএনপি’র আন্দোলনকে নৈরাজ্য সন্ত্রাস আখ্যা দিয়ে ১০, ১১, ১২ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ যে শান্তি সমাবেশ করে ছিল মেডিকেল রোড দুই নম্বর গেটের সামনে সেই সমাবেশে মেহেদী হাসান রনি স্টেজের উপর ছিল। প্রশ্ন হচ্ছে সে যদি দলীয় কর্মী না হয় কি করে স্টেজের উপর থাকে? যাকে তাকে তো আর স্টেজের উপর জায়গা দেওয়া হয় না।
এসকল ফ্যাসিসের ধূসররা কি ধরা ছোয়ার বাইরেই থেকে যাবে?